দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬
অনেকেই মনে করেন দোলনচাঁপা ট্রেনের সময়সূচী সপ্তাহের নির্দিষ্ট কোনো দিনের জন্য নির্ধারিত। অর্থাৎ সপ্তাহে ছয় দিন ট্রেনটি চলে এবং বাকি দিনগুলোতে বন্ধ থাকে। এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল, দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস সপ্তাহের সাতদিনই নিয়মিত চলাচল করে অর্থাৎ শুক্র থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কোনো সাপ্তাহিক বন্ধের দিন নেই। এই ভুল ধারণার কারণে অনেক যাত্রী অযথা টিকিট বুকিং বাতিল করেন বা ভ্রমণের দিন পরিবর্তন করে ফেলেন।
দোলনচাঁপা ট্রেনের নতুন সময়সূচী অনুযায়ী, ৭৬৭ নম্বর ট্রেনটি প্রতিদিন সান্তাহার থেকে সকাল ১১টায় ছেড়ে পঞ্চগড়ে রাত ৮টা ৪০ মিনিটে পৌঁছায়, যেখানে মোট যাত্রার সময় লাগে ৯ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। বিপরীত দিকে ৭৬৮ নম্বর ট্রেনটি পঞ্চগড় থেকে সকাল ৬টায় ছেড়ে সান্তাহারে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে পৌঁছায়। যার মোট সময় লাগে ১০ ঘণ্টা ১৫ মিনিট।
এই আর্টিকেলে আমরা ধাপে ধাপে আলোচনা করবো কীভাবে সঠিকভাবে দোলনচাঁপা ট্রেনের সময়সূচী জানবেন। কোন কোন স্টেশনে ট্রেন থামে, কতক্ষণ বিরতি থাকে ও যাত্রীরা সাধারণত কোন কোন ভুল করে থাকেন। সঠিক তথ্য জানা থাকলে স্টেশনে দেরি করে পৌঁছানো বা ট্রেন মিস হওয়ার মতো ঝামেলা এড়ানো সম্ভব।
আরও জেনে নিনঃ চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী
সান্তাহার থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত সময়সূচী
সান্তাহার থেকে পঞ্চগড়গামী ৭৬৭ নম্বর দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস প্রতিদিন চলাচল করে। নিচে প্রতিটি স্টেশনের আগমন ও ছাড়ার সময় এবং বিরতির সময় দেওয়া হলোঃ
| স্টেশন | পৌঁছানোর সময় | বিরতি | ছাড়ার সময় |
|---|---|---|---|
| সান্তাহার | — | — | সকাল ১১:০০ |
| তালোড়া | সকাল ১১:২৮ | — | — |
| বগুড়া | সকাল ১১:৫৩ | ০৮ মিনিট | দুপুর ১২:০১ |
| সোনাতলা | দুপুর ১২:৫০ | ০২ মিনিট | দুপুর ১২:৫২ |
| মহিমাগঞ্জ | দুপুর ০১:০২ | — | — |
| বোনারপাড়া | দুপুর ০১:১৩ | ০৫ মিনিট | দুপুর ০১:১৮ |
| বাদিয়াখালী | দুপুর ০১:২৮ | ০২ মিনিট | দুপুর ০১:৩০ |
| গাইবান্ধা | দুপুর ০১:৪৫ | ০৫ মিনিট | দুপুর ০১:৫০ |
| বামনডাঙ্গা | দুপুর ০২:২১ | ০৩ মিনিট | দুপুর ০২:২৪ |
| পীরগাছা | দুপুর ০২:৪২ | ০৩ মিনিট | দুপুর ০২:৪৫ |
| কাউনিয়া | দুপুর ০৩:০৫ | ২০ মিনিট | দুপুর ০৩:২৫ |
| রংপুর | দুপুর ০৩:৪৮ | ১০ মিনিট | দুপুর ০৩:৫৮ |
| বদরগঞ্জ | বিকাল ০৪:২৬ | ০৩ মিনিট | বিকাল ০৪:২৯ |
| খোলাহাটি | বিকাল ০৪:৪০ | — | — |
| পার্বতীপুর | বিকাল ০৪:৫৫ | ২৫ মিনিট | বিকাল ০৫:২০ |
| চিরিরবন্দর | বিকাল ০৫:৪০ | ০৩ মিনিট | বিকাল ০৫:৪৩ |
| দিনাজপুর | সন্ধ্যা ০৬:০৫ | ০৮ মিনিট | সন্ধ্যা ০৬:১৩ |
| সেতাবগঞ্জ | সন্ধ্যা ০৬:৪৮ | ০২ মিনিট | সন্ধ্যা ০৬:৫০ |
| পীরগঞ্জ | সন্ধ্যা ০৭:০৬ | ০২ মিনিট | সন্ধ্যা ০৭:০৮ |
| ভোমরাদহ | সন্ধ্যা ০৭:১৮ | ০২ মিনিট | সন্ধ্যা ০৭:২০ |
| ঠাকুরগাঁও রোড | সন্ধ্যা ০৭:৩৮ | ০৩ মিনিট | সন্ধ্যা ০৭:৪১ |
| রুহিয়া | রাত ০৮:০০ | ০২ মিনিট | রাত ০৮:০২ |
| কিসমত | রাত ০৮:১২ | — | — |
| পঞ্চগড় | রাত ০৮:৪০ | — | — |
এই রুটে মোট যাত্রার সময় ৯ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। লক্ষ করার বিষয় হলো, কাউনিয়া স্টেশনে ২০ মিনিট ও পার্বতীপুর স্টেশনে ২৫ মিনিটের দীর্ঘ বিরতি রয়েছে। এই দুই স্টেশনে যাত্রীরা চাইলে বিরতিতে হালকা নাস্তা করে নিতে পারেন।
পঞ্চগড় থেকে সান্তাহার পর্যন্ত সময়সূচী
ফিরতি পথে অর্থাৎ পঞ্চগড় থেকে সান্তাহারগামী ৭৬৮ নম্বর দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসও সপ্তাহের সাতদিনই চলাচল করে। এই ট্রেনের সময়সূচী অনেকটাই ৭৬৭ নম্বর ট্রেনের বিপরীত ক্রমে সাজানো তবে কিছু স্টেশনে বিরতির সময়ে পার্থক্য রয়েছেঃ
| স্টেশন | পৌঁছানোর সময় | বিরতি | ছাড়ার সময় |
|---|---|---|---|
| পঞ্চগড় | — | — | সকাল ০৬:০০ |
| কিসমত | সকাল ০৬:২১ | — | — |
| রুহিয়া | সকাল ০৬:৩৩ | ০২ মিনিট | সকাল ০৬:৩৫ |
| ঠাকুরগাঁও রোড | সকাল ০৬:৫১ | ০৩ মিনিট | সকাল ০৬:৫৪ |
| ভোমরাদহ | সকাল ০৭:১৩ | ০২ মিনিট | সকাল ০৭:১৫ |
| পীরগঞ্জ | সকাল ০৭:২৫ | ০২ মিনিট | সকাল ০৭:২৭ |
| সেতাবগঞ্জ | সকাল ০৭:৪৩ | ০৩ মিনিট | সকাল ০৭:৪৬ |
| দিনাজপুর | সকাল ০৮:২১ | ১০ মিনিট | সকাল ০৮:৩১ |
| চিরিরবন্দর | সকাল ০৮:৫০ | ০২ মিনিট | সকাল ০৮:৫২ |
| পার্বতীপুর | সকাল ০৯:১৫ | ২৫ মিনিট | সকাল ০৯:৪০ |
| খোলাহাটি | সকাল ০৯:৫২ | — | — |
| বদরগঞ্জ | সকাল ১০:০৫ | ০৩ মিনিট | সকাল ১০:০৮ |
| রংপুর | সকাল ১০:৩৫ | ০৫ মিনিট | সকাল ১০:৪০ |
| কাউনিয়া | সকাল ১১:০৫ | ২০ মিনিট | সকাল ১১:২৫ |
| পীরগাছা | সকাল ১১:৪২ | ০৩ মিনিট | সকাল ১১:৪৫ |
| বামনডাঙ্গা | দুপুর ১২:০৪ | ০৩ মিনিট | দুপুর ১২:০৭ |
| গাইবান্ধা | দুপুর ১২:৫২ | ০৫ মিনিট | দুপুর ১২:৫৭ |
| বাদিয়াখালী | দুপুর ০১:১৩ | ২০ মিনিট | দুপুর ০১:৩৩ |
| বোনারপাড়া | দুপুর ০১:৪৩ | ০৫ মিনিট | দুপুর ০১:৪৮ |
| মহিমাগঞ্জ | দুপুর ০১:৫৭ | — | — |
| সোনাতলা | দুপুর ০২:১০ | ০২ মিনিট | দুপুর ০২:১২ |
| বগুড়া | দুপুর ০২:৪৯ | ১৬ মিনিট | বিকাল ০৩:০৫ |
| তালোড়া | বিকাল ০৩:৪৩ | — | — |
| সান্তাহার | বিকাল ০৪:১৫ | — | — |
পঞ্চগড়-সান্তাহার রুটের অন্যান্য ট্রেন ও ভাড়া
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ছাড়াও পঞ্চগড়-সান্তাহার রুটে আরও কয়েকটি ট্রেন চলাচল করে। নিচে সেই ট্রেনগুলোর আসন শ্রেণি ও ভাড়ার তথ্য দেওয়া হলো:
| ট্রেনের নাম | আসন শ্রেণি | ভাড়া |
|---|---|---|
| দ্রুতযান এক্সপ্রেস (৭৫৮) | স্নিগ্ধা (SNIGDHA) | ৳৫১৮ (ভ্যাটসহ) |
| শোভন চেয়ার (S_CHAIR) | ৳২৭০ | |
| এসি_এস (AC_S) | ৳৬২১ (ভ্যাটসহ) | |
| বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস (৮০৪) | শোভন চেয়ার (S_CHAIR) | ৳২৭০ |
| পঞ্চগড় এক্সপ্রেস (৭৯৪) | এসি_এস (AC_S) | ৳৬২১ (ভ্যাটসহ) |
| শোভন চেয়ার (S_CHAIR) | ৳২৭০ | |
| স্নিগ্ধা (SNIGDHA) | ৳৫১৮ (ভ্যাটসহ) | |
| একতা এক্সপ্রেস (৭০৬) | স্নিগ্ধা (SNIGDHA) | ৳৫১৮ (ভ্যাটসহ) |
| শোভন চেয়ার (S_CHAIR) | ৳২৭০ | |
| এসি_বি (AC_B) | ৳৯৭৬ (ভ্যাটসহ) |
দ্রষ্টব্য: উপরের ভাড়া পরিবর্তনযোগ্য হতে পারে। সর্বশেষ ও সঠিক তথ্যের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ই-টিকেটিং ওয়েবসাইট থেকে যাচাই করে নেওয়া ভালো।
বিরতির সময় না জানার কারণে ট্রেন মিস হওয়া এড়াবেন যেভাবে
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসের যাত্রায় সবচেয়ে বড় বিরতিগুলো হলো কাউনিয়া (২০ মিনিট) ও পার্বতীপুর (২৫ মিনিট) স্টেশনে। এই দীর্ঘ বিরতির সুযোগে অনেক যাত্রী প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে দূরে খাবার কিনতে বা টয়লেট ব্যবহার করতে যান কিন্তু সময়ের হিসাব না রাখায় ট্রেন ছাড়ার সময় প্ল্যাটফর্মে ফিরতে দেরি করে ফেলেন। বাস্তবে ট্রেন নির্ধারিত সময়ের আগেও ছেড়ে যেতে পারে যদি সব যাত্রী ওঠানামা সম্পন্ন হয়ে যায়। তাই বিরতির পুরো সময়টুকু নিরাপদ মনে করা ঠিক নয়।
এর বিপরীতে বগুড়া, সোনাতলা, বাদিয়াখালী, পীরগাছা কিংবা রুহিয়ার মতো স্টেশনগুলোতে বিরতি মাত্র ২ থেকে ৩ মিনিট। এই ধরনের বিরতিতে নামা বা ওঠার সময় তাড়াহুড়ো এড়াতে যাত্রীদের উচিত ট্রেন থামার আগেই নিজের মালপত্র গুছিয়ে দরজার কাছাকাছি প্রস্তুত থাকা। বিশেষত ছোট বাচ্চা বা বয়স্ক ব্যক্তিদের সঙ্গে ভ্রমণের ক্ষেত্রে এই প্রস্তুতি আরও বেশি জরুরি। কারণ ২ মিনিটের বিরতিতে ধীরে ওঠানামা করলে ট্রেন মিস হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
টিকেট বুকিংয়ের সময় সাধারণ যেসব ভুল করেন যাত্রীরা
দোলনচাঁপা ট্রেনের সময়সূচী নিয়ে বিভ্রান্তির একটি বড় কারণ হলো যাওয়া ও ফিরতি পথের সময়সূচীকে একই মনে করা। অনেকে ধরে নেন সান্তাহার থেকে পঞ্চগড়ের সময় এবং পঞ্চগড় থেকে সান্তাহারের সময় প্রায় কাছাকাছি অথচ বাস্তবে দুটি যাত্রার মোট সময়ের মধ্যে ৩৫ মিনিটের পার্থক্য রয়েছে। এই পার্থক্য না জেনে টিকিট বুক করলে ফিরতি যাত্রার সময়সূচী নিয়ে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। বিশেষত যারা একদিনেই যাওয়া-আসার পরিকল্পনা করেন তাদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ।
আরেকটি সাধারণ ভুল হলো ছাড়ার সময় ও পৌঁছানোর সময় গুলিয়ে ফেলা। যেমন কোনো যাত্রী গাইবান্ধা স্টেশন থেকে উঠবেন বলে পরিকল্পনা করলে তাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে ট্রেনটি সেখানে পৌঁছায় দুপুর ০১:৪৫ মিনিটে কিন্তু ছেড়ে যায় ০১:৫০ মিনিটে। অনেকেই আগমনের সময়কে ছাড়ার সময় ভেবে স্টেশনে দেরি করে পৌঁছান ফলে অল্পের জন্য ট্রেন মিস হয়ে যায়। তাই টিকিট বুকিং বা স্টেশনে যাওয়ার পরিকল্পনার সময় সবসময় আগমন ও প্রস্থানের সময়কে আলাদাভাবে যাচাই করা উচিত।
এছাড়া দিনের কোন সময়ে (am/pm) ট্রেন ছাড়ছে তা ভালোভাবে না দেখাও একটি ঝুঁকিপূর্ণ ভুল। যেমন পঞ্চগড় থেকে ৭৬৮ নম্বর ট্রেন ছাড়ে সকাল ০৬:০০ টায় আর দিনাজপুরে পৌঁছায় সকাল ০৮:২১ টায় এই সময়গুলো am না pm তা মিলিয়ে না দেখলে সকালের ট্রেনকে বিকেলের ট্রেন ভেবে ভুল সময়ে স্টেশনে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। টিকিট বুকিংয়ের সময় প্রতিটি সময়ের পাশে am/pm স্পষ্টভাবে যাচাই করে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।
দোলনচাঁপা ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী কীভাবে সময় বাঁচাবেন
দীর্ঘ প্রায় ১০ ঘণ্টার এই যাত্রায় সময়মতো পরিকল্পনা করলে ভ্রমণ অনেক আরামদায়ক হয়। যারা মাঝপথের স্টেশন যেমন রংপুর, দিনাজপুর বা পার্বতীপুর থেকে ট্রেনে উঠবেন তাদের উচিত নির্ধারিত সময়ের অন্তত ২০-৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছানো। কারণ দীর্ঘ রুটের ট্রেন হওয়ায় শুরুর দিকের কোনো স্টেশনে বিলম্ব হলে তা পরবর্তী স্টেশনগুলোর সময়সূচীতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
যারা পুরো রুট অর্থাৎ সান্তাহার থেকে পঞ্চগড় বা পঞ্চগড় থেকে সান্তাহার পর্যন্ত ভ্রমণ করবেন তাদের জন্য কাউনিয়া ও পার্বতীপুরের দীর্ঘ বিরতিগুলো বিশ্রাম নেওয়ার এবং হালকা খাবার সংগ্রহ করার সবচেয়ে ভালো সুযোগ। এই বিরতিগুলোর সময়টুকু আগে থেকে জেনে রাখলে যাত্রাপথে হুট করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।
সরকারি ছুটির দিন বা উৎসবের সময় স্টেশনে ভিড় বেশি থাকে তাই এমন সময়ে ভ্রমণ করলে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কিছুটা আগে স্টেশনে পৌঁছানো বুদ্ধিমানের কাজ। সর্বশেষ তথ্যের জন্য যাত্রীদের বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নিয়মিত দেখে নেওয়া উচিত। বিশেষত সময়সূচীতে কোনো সাময়িক পরিবর্তন এসেছে কিনা তা নিশ্চিত হতে। এছাড়া সান্তাহার থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত রুটে চলাচলকারী অন্যান্য ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে জানতে চাইলে আমাদের প্রাসঙ্গিক আর্টিকেলগুলোও দেখে নিতে পারেন।
দোলনচাঁপা ট্রেনের সময়সূচী সংক্রান্ত সচরাচর জিজ্ঞাসা
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস কি প্রতিদিন চলে?
হ্যাঁ, দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস (৭৬৭ ও ৭৬৮) সপ্তাহের সাতদিনই অর্থাৎ শুক্র থেকে বৃহস্পতিবার প্রতিদিন চলাচল করে। কোনো সাপ্তাহিক বন্ধের দিন নেই।
সান্তাহার থেকে পঞ্চগড় যেতে দোলনচাঁপা ট্রেনের কত সময় লাগে?
৭৬৭ নম্বর দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস সান্তাহার থেকে সকাল ১১:০০ টায় ছেড়ে পঞ্চগড়ে রাত ০৮:৪০ টায় পৌঁছায়, মোট সময় লাগে ৯ ঘণ্টা ৪০ মিনিট।
পঞ্চগড় থেকে সান্তাহার ফিরতি যাত্রায় কত সময় লাগে?
৭৬৮ নম্বর দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস পঞ্চগড় থেকে সকাল ০৬:০০ টায় ছেড়ে সান্তাহারে বিকেল ০৪:১৫ টায় পৌঁছায়, মোট সময় লাগে ১০ ঘণ্টা ১৫ মিনিট।
দোলনচাঁপা ট্রেনের সবচেয়ে দীর্ঘ বিরতি কোন স্টেশনে?
দুই দিকের যাত্রাতেই পার্বতীপুর স্টেশনে সবচেয়ে দীর্ঘ বিরতি থাকে, যা ২৫ মিনিট। এছাড়া কাউনিয়া স্টেশনেও ২০ মিনিটের বিরতি থাকে।
রংপুর থেকে দিনাজপুর যেতে দোলনচাঁপা ট্রেনে কত সময় লাগে?
রংপুর থেকে দিনাজপুর পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ২ ঘণ্টা ৭ মিনিট, কারণ ট্রেনটি রংপুর ছাড়ে বিকেল ০৩:৫৮ টায় এবং দিনাজপুরে পৌঁছায় সন্ধ্যা ০৬:০৫ টায়, মাঝে বদরগঞ্জ, খোলাহাটি ও পার্বতীপুর স্টেশনে থামে।
দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস কোন কোন জেলার উপর দিয়ে চলাচল করে?
ট্রেনটি বগুড়া, গাইবান্ধা, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলার বিভিন্ন স্টেশন হয়ে সান্তাহারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।
