চুয়াডাঙ্গা থেকে খুলনা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা থেকে খুলনা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া

চুয়াডাঙ্গা থেকে খুলনা ট্রেনের সময়সূচী খুঁজছেন? কোন ট্রেন কখন ছাড়ে এবং কোন দিনে সাপ্তাহিক বন্ধ থাকে তা জানা থাকলে যাত্রার পরিকল্পনা অনেক সহজ হয়। সরবরাহ করা সময়সূচি অনুযায়ী এই পথে প্রতিদিন সর্বোচ্চ চারটি আন্তঃনগর ট্রেন পাওয়া যায়। ট্রেনগুলো হলো সীমান্ত এক্সপ্রেস, চিত্রা এক্সপ্রেস, সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ও কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস। চুয়াডাঙ্গা থেকে খুলনা যেতে ট্রেনভেদে সময় লাগে প্রায় ৩ ঘণ্টা ২ মিনিট থেকে ৩ ঘণ্টা ১৩ মিনিট।

চুয়াডাঙ্গা থেকে খুলনা ট্রেনের সময়সূচী 2026

চুয়াডাঙ্গা থেকে খুলনা যাওয়ার উল্লেখিত ট্রেনগুলোর মধ্যে প্রথম ট্রেনটি রাত ১টার পর ছাড়ে এবং শেষ ট্রেনটি বিকেল ৫টা ১৪ মিনিটে ছাড়ে। নিচে চুয়াডাঙ্গা স্টেশনে ট্রেনের ছাড়ার সময় ও খুলনায় পৌঁছানোর সময় একসঙ্গে দেওয়া হলোঃ

ট্রেনের নামচুয়াডাঙ্গা ছাড়েখুলনায় পৌঁছায়বন্ধ
সীমান্ত এক্সপ্রেসরাত ১:০৩ভোর ৪:১০সোমবার
চিত্রা এক্সপ্রেসরাত ১:২৭ভোর ৪:৪০রবিবার
সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেসসকাল ৮:৫৯দুপুর ১২:১০সোমবার
কপোতাক্ষ এক্সপ্রেসবিকেল ৫:১৪রাত ৮:২৫শুক্রবার

রাতের দুটি ট্রেনের সময় কাছাকাছি হলেও এগুলো আলাদা ট্রেন। সীমান্ত এক্সপ্রেস চুয়াডাঙ্গা থেকে রাত ১:০৩ মিনিটে ছাড়ে। চিত্রা এক্সপ্রেস ছাড়ে রাত ১:২৭ মিনিটে। ফলে স্টেশনে পৌঁছানোর সময় ভুল হলে ট্রেন মিস করার ঝুঁকি থাকে।

চুয়াডাঙ্গা থেকে খুলনা ট্রেনের ভাড়ার তালিকা

চুয়াডাঙ্গা থেকে খুলনা রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর ভাড়া আসন শ্রেণি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। সাধারণত শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা, এসি সিট (AC_S) এবং এসি বার্থ (AC_B) শ্রেণির টিকিট পাওয়া যায়। তবে সব ট্রেনে সব ধরনের কোচ থাকে না। নিচের টেবিলে প্রতিটি ট্রেনের আসন শ্রেণি অনুযায়ী ভাড়ার তথ্য দেওয়া হলো:

ট্রেনের নামএসি বার্থ (AC_B)এসি সিট (AC_S)স্নিগ্ধাশোভন চেয়ার
সীমান্ত এক্সপ্রেস (748)৳614৳317৳165
চিত্রা এক্সপ্রেস (764)৳614৳317৳165
সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস (762)৳380৳165
রূপসা এক্সপ্রেস (728)৳380৳317৳165
কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস (716)৳317৳165

কোন ট্রেনটি আপনার জন্য সুবিধাজনক

যাত্রার সময় অনুযায়ী ট্রেন বাছাই করাই সবচেয়ে ব্যবহারিক পদ্ধতি। ভোরে খুলনায় পৌঁছাতে চাইলে সীমান্ত এক্সপ্রেস বা চিত্রা এক্সপ্রেস বিবেচনা করা যায়। দিনের যাত্রার জন্য সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস এবং বিকেলের যাত্রার জন্য কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস উপযোগী।

সীমান্ত এক্সপ্রেস ৭৪৮

সীমান্ত এক্সপ্রেস চুয়াডাঙ্গা থেকে রাত ১:০৩ মিনিটে ছেড়ে ভোর ৪:১০ মিনিটে খুলনায় পৌঁছায়। এই ট্রেনটি চিলাহাটি থেকে যাত্রা শুরু করে এবং চুয়াডাঙ্গার আগে আলমডাঙ্গা স্টেশনে রাত ১২:৪০ মিনিটে পৌঁছে রাত ১২:৪২ মিনিটে ছাড়ে। চুয়াডাঙ্গার পর ট্রেনটি দর্শনা হল্ট, কোটচাঁদপুর, মোবারকগঞ্জ, যশোর, নওয়াপাড়া ও দৌলতপুরে থামে।

সীমান্ত এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক বন্ধ সোমবার। সরবরাহ করা রুট তথ্য অনুযায়ী ট্রেনটি চিলাহাটি থেকে আগের দিন সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিটে ছাড়ে। তাই উত্তরাঞ্চল থেকে আসা এই ট্রেনের সময়ে সামান্য বিলম্ব হলেও চুয়াডাঙ্গা স্টেশনে নির্ধারিত সময়ের আগে থাকা ভালো।

চিত্রা এক্সপ্রেস ৭৬৪

চিত্রা এক্সপ্রেস চুয়াডাঙ্গা থেকে রাত ১:২৭ মিনিটে ছেড়ে ভোর ৪:৪০ মিনিটে খুলনায় পৌঁছায়। এই ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ রবিবার। এটি ঢাকা থেকে আগের দিন সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে ছাড়ে এবং চুয়াডাঙ্গার আগে আলমডাঙ্গায় রাত ১:০৫ মিনিটে পৌঁছে রাত ১:০৭ মিনিটে ছাড়ে।

চিত্রা এক্সপ্রেস চুয়াডাঙ্গার পর কোটচাঁদপুর, মোবারকগঞ্জ, যশোর ও নওয়াপাড়া হয়ে খুলনায় যায়। রাতের ট্রেন হওয়ায় স্টেশনে যাওয়ার পরিবহন আগে ঠিক করে রাখা উচিত। বিশেষ করে দূরের উপজেলা থেকে এলে নির্ধারিত ছাড়ার সময়ের অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছানো নিরাপদ।

সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ৭৬২

সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস চুয়াডাঙ্গা থেকে সকাল ৮:৫৯ মিনিটে ছেড়ে দুপুর ১২:১০ মিনিটে খুলনায় পৌঁছায়। চুয়াডাঙ্গা থেকে দিনের বেলায় সরাসরি যাত্রা করতে চাইলে এটি একটি সুবিধাজনক বিকল্প। ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ সোমবার।

সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস রাজশাহী থেকে সকাল ৬টায় যাত্রা শুরু করে। চুয়াডাঙ্গার আগে আলমডাঙ্গায় সকাল ৮:৩৮ মিনিটে পৌঁছে সকাল ৮:৪০ মিনিটে ছাড়ে। চুয়াডাঙ্গার পর দর্শনা হল্ট, সফদরপুর, কোটচাঁদপুর, মোবারকগঞ্জ, যশোর ও নওয়াপাড়া স্টেশনে থামে। দিনের আলোয় যাত্রা হওয়ায় পরিবারসহ ভ্রমণকারীদের কাছে এই সময়টি আরামদায়ক হতে পারে।

কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ৭১৬

কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস চুয়াডাঙ্গা থেকে বিকেল ৫:১৪ মিনিটে ছেড়ে রাত ৮:২৫ মিনিটে খুলনায় পৌঁছায়। শুক্রবার ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ। অন্য দিনগুলোতে অফিস বা দিনের কাজ শেষ করে বিকেলে রওনা দেওয়ার জন্য এই ট্রেনটি বেছে নেওয়া যায়।

কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস রাজশাহী থেকে দুপুর ২:৩০ মিনিটে ছাড়ে। চুয়াডাঙ্গার আগে আলমডাঙ্গায় বিকেল ৪:৫৩ মিনিটে পৌঁছে ৪:৫৫ মিনিটে ছাড়ে। চুয়াডাঙ্গার পর দর্শনা হল্ট, সফদরপুর, কোটচাঁদপুর, মোবারকগঞ্জ, যশোর ও নওয়াপাড়ায় থামে। খুলনায় পৌঁছানোর সময় রাত ৮:২৫ মিনিট হওয়ায় স্টেশন থেকে গন্তব্যে যাওয়ার ব্যবস্থা আগে নিশ্চিত করা ভালো।

চুয়াডাঙ্গা থেকে খুলনা ট্রেনের টিকিট কীভাবে কাটবেন?

টিকিট অনলাইনে অথবা নির্ধারিত রেলওয়ে কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করা যায়। অনলাইনে টিকিট কাটার সময় যাত্রার তারিখ, আসনের শ্রেণি, যাত্রীর পরিচয়পত্রের তথ্য ও মোবাইল নম্বর সঠিকভাবে দিতে হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিট সেবায় যে ট্রেন ও আসন বাস্তবে দেখাবে সেটিই চূড়ান্ত ধরে পরিকল্পনা করুন।

আসনের শ্রেণি বুঝে নির্বাচন করুন

  • শোভন চেয়ার: সাধারণত কম খরচে বসে ভ্রমণের জন্য উপযোগী।
  • স্নিগ্ধা: তুলনামূলক আরামদায়ক আসন চাইলে এই শ্রেণি দেখা যেতে পারে।
  • এসি সিট: শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে যাত্রার বিকল্প।
  • এসি বার্থ: সরবরাহ করা তথ্যের মধ্যে কিছু ট্রেনে এই শ্রেণির উল্লেখ আছে। প্রাপ্যতা ও ভাড়া তারিখভেদে যাচাই করতে হবে।

সিটের নাম বা ভাড়ার তথ্য একই মনে থাকবে এমন নয়। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে ভাড়া, আসনবিন্যাস বা অনলাইন বিক্রির নিয়ম পরিবর্তিত হতে পারে। তাই পুরনো স্ক্রিনশট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের বদলে অফিসিয়াল বুকিং পেজে দেখানো তথ্যকে অগ্রাধিকার দিন।

যাত্রা পরিকল্পনায় কোন ভুলগুলো এড়াবেন

এই রুটে যাত্রীদের সবচেয়ে সাধারণ ভুল হলো সাপ্তাহিক বন্ধের দিন না দেখা। উদাহরণ হিসেবে সোমবার সীমান্ত এক্সপ্রেস ও সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস চলবে না। শুক্রবার কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস এবং রবিবার চিত্রা এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক বন্ধ থাকে।

  1. শুধু ট্রেনের নাম দেখে টিকিট কাটবেন না: ট্রেন নম্বরও মিলিয়ে নিন। সীমান্ত এক্সপ্রেস ৭৪৮ এবং চিত্রা এক্সপ্রেস ৭৬৪।
  2. রাত ১২টার পরের সময় ভুল বুঝবেন না: রাত ১:০৩ বা ১:২৭ মানে পরের দিনের ভোররাত। বুকিংয়ের তারিখ ও স্টেশনে উপস্থিতির সময় একসঙ্গে যাচাই করুন।
  3. চুয়াডাঙ্গা ছাড়ার সময়কে খুলনায় পৌঁছানোর সময় ভাববেন না: সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস সকাল ৮:৫৯ মিনিটে ছাড়ে কিন্তু খুলনায় পৌঁছায় দুপুর ১২:১০ মিনিটে।
  4. স্টেশনে একেবারে শেষ মুহূর্তে যাবেন না: অন্তত ২০ মিনিট আগে পৌঁছালে প্ল্যাটফর্ম খোঁজা ও টিকিট যাচাইয়ের সময় থাকে।
  5. পরিচয়পত্রের তথ্য ভুল দেবেন না: অনলাইন টিকিটে নাম বা পরিচয়পত্রের তথ্য ভুল হলে ভ্রমণের সময় জটিলতা তৈরি হতে পারে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বিলম্বের সম্ভাবনা। প্রকাশিত সময়সূচি পরিকল্পনার ভিত্তি হলেও আবহাওয়া, রেলপথের কাজ বা অপারেশনাল কারণে ট্রেন দেরি করতে পারে। খুলনায় পৌঁছে যদি বাস, পরীক্ষা বা অফিসের সময় নির্দিষ্ট থাকে তাহলে হাতে কিছু অতিরিক্ত সময় রাখুন।

চুয়াডাঙ্গা থেকে খুলনা যাওয়ার জন্য কোন সময়টি বেছে নেবেন?

ভোরে খুলনায় পৌঁছানোর প্রয়োজন হলে সীমান্ত এক্সপ্রেস বা চিত্রা এক্সপ্রেসের সময় বিবেচনা করা যায়। তবে এই দুটির যাত্রা রাতের হওয়ায় স্টেশনে যাওয়ার নিরাপত্তা ও স্থানীয় পরিবহন আগে নিশ্চিত করা দরকার।

সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে যাত্রা করতে চাইলে সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেসের সময়টি সুবিধাজনক। বিকেল থেকে রাতে খুলনায় পৌঁছানো গ্রহণযোগ্য হলে কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ব্যবহার করা যায়। যাত্রার দিন সাপ্তাহিক বন্ধ ও অফিসিয়াল টিকিট সিস্টেমে ট্রেনটি চালু আছে কি না তা মিলিয়ে নিন।

টিপস: আপনার গন্তব্য খুলনা শহরের ভেতরে হলে ট্রেনের পৌঁছানোর সময়ের সঙ্গে স্টেশন থেকে শেষ গন্তব্যে যাওয়ার সময়ও যোগ করুন। রাত ৮:২৫ মিনিটে খুলনায় পৌঁছানো এবং রাত ৮:২৫ মিনিটে বাড়িতে পৌঁছানো এক বিষয় নয়।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

চুয়াডাঙ্গা থেকে খুলনা যেতে মোট কত সময় লাগে?

উল্লিখিত সময়সূচি অনুযায়ী ট্রেনভেদে ৩ ঘণ্টা ২ মিনিট থেকে ৩ ঘণ্টা ১৩ মিনিট লাগে। রেলপথে বিলম্ব হলে প্রকৃত সময় আরও বাড়তে পারে।

চুয়াডাঙ্গা থেকে খুলনার প্রথম ট্রেন কোনটি?

সীমান্ত এক্সপ্রেস ৭৪৮ চুয়াডাঙ্গা থেকে রাত ১:০৩ মিনিটে ছাড়ে। এটি খুলনায় ভোর ৪:১০ মিনিটে পৌঁছানোর কথা।

চুয়াডাঙ্গা থেকে খুলনার শেষ ট্রেন কোনটি?

প্রদত্ত সময়সূচি অনুযায়ী কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ৭১৬ বিকেল ৫:১৪ মিনিটে চুয়াডাঙ্গা ছাড়ে এবং রাত ৮:২৫ মিনিটে খুলনায় পৌঁছায়।

সোমবার চুয়াডাঙ্গা থেকে খুলনা কোন ট্রেন চলে?

প্রদত্ত সাপ্তাহিক বন্ধ অনুযায়ী সোমবার সীমান্ত এক্সপ্রেস ও সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস বন্ধ থাকে। চিত্রা এক্সপ্রেস সোমবার চলার কথা। কপোতাক্ষ এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক বন্ধ শুক্রবার হওয়ায় সোমবার চলার কথা। যাত্রার আগে অফিসিয়াল সিস্টেমে যাচাই করুন।

রবিবার চিত্রা এক্সপ্রেস কি চলবে?

না। সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী চিত্রা এক্সপ্রেস ৭৬৪-এর সাপ্তাহিক বন্ধ রবিবার। সেই দিনে বিকল্প ট্রেনের সময় অফিসিয়াল ই-টিকিট প্ল্যাটফর্মে দেখে নিন।

শুক্রবার কপোতাক্ষ এক্সপ্রেসে যাত্রা করা যাবে?

প্রদত্ত সময়সূচি অনুযায়ী শুক্রবার কপোতাক্ষ এক্সপ্রেসের সাপ্তাহিক বন্ধ। তাই শুক্রবারের যাত্রার জন্য অন্য ট্রেনের সময় ও টিকিটের প্রাপ্যতা যাচাই করতে হবে।

চুয়াডাঙ্গা থেকে খুলনার ট্রেনের টিকিট কোথায় কাটব?

বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ই-টিকিট প্ল্যাটফর্মে অনলাইনে অথবা রেলওয়ের নির্ধারিত কাউন্টার থেকে টিকিট কাটতে পারেন। ভাড়া ও আসনের শ্রেণি যাত্রার তারিখ অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে।

সময়সূচি ও টিকিটের নিয়ম পরিবর্তন হতে পারে। তাই যাত্রার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিশিয়াল ই-টিকিট প্ল্যাটফর্ম থেকে আপনার নির্দিষ্ট তারিখের তথ্য যাচাই করুন।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *