মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী আপনি জানেন কী? ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা করেছিলেন রাজশাহীর ব্যবসায়ী রাশেদ। আগের বছরে অন্য ওয়েবসাইটের একটি পোস্ট দেখে তিনি শনিবারের টিকিট খুঁজতে শুরু করেন। অনেক চেষ্টা করেও টিকিট না পেয়ে পরে জানতে পারেন সেই দিন মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী ট্রেনটি চলেই না। শুধু একটি পুরোনো তথ্যের ওপর নির্ভর করার কারণে তার পুরো ভ্রমণ পরিকল্পনা বদলে যায়। এমন ঘটনা শুধু একজনের নয় বরং প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রীর সঙ্গে ঘটে। কেউ ভুল সময়ে স্টেশনে পৌঁছান আবার কেউ ভুল দিনে টিকিট কাটতে যান। তাই মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের ভ্রমণের আগে সর্বশেষ মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী, বন্ধের দিন এবং স্টেশনভিত্তিক তথ্য জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আজকের এই আর্টিকেলে ২০২৬ সালের মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী, রাজশাহী থেকে ঢাকা পর্যন্ত সম্পূর্ণ স্টেশন তালিকা, চলাচলের দিন, যাত্রাপথ ও যাত্রীরা সাধারণত যে ভুলগুলো করেন সেগুলো এড়ানোর বাস্তব পরামর্শ তুলে ধরা হয়েছে। আপনি যদি প্রথমবার এই ট্রেনে ভ্রমণ করেন অথবা নিয়মিত যাত্রী হন তাহলে এই তথ্যগুলো আপনার ভ্রমণকে আরও সহজ ও পরিকল্পিত করবে।
আপনি যদি একই রুটের অন্যান্য আন্তঃনগর ট্রেন সম্পর্কেও জানতে চান তাহলে রাজশাহী টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কিত বিস্তারিত দেখে নিতে পারেন। তাহলে আলোচনা শুরু করা যাক।
আরও জেনে নিনঃ ঢাকা টু সিলেট ট্রেনের সময়সূচী ভাড়া
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬
অনেক যাত্রী মনে করেন প্রতিদিন একই সময়ে এবং একই নিয়মে ট্রেন চলাচল করে। বাস্তবে মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুসারে সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধ রয়েছে। আবার অনেকেই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে পুরোনো তথ্য দেখে স্টেশনে চলে যান। ফলে অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, শুক্রবার ও ঈদের আগে এই ট্রেনে যাত্রীর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। বিশেষ করে রাজশাহী, ঈশ্বরদী, কুষ্টিয়া কোর্ট এবং ফরিদপুর স্টেশন থেকে অনেক যাত্রী ওঠেন। তাই ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে অন্তত কয়েক দিন আগে টিকিট সংগ্রহ করাই সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত।
- পুরোনো সময়সূচী দেখে যাত্রার পরিকল্পনা করবেন না।
- সাপ্তাহিক বন্ধের দিন আগে থেকেই নিশ্চিত করুন।
- স্টেশনে অন্তত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট আগে পৌঁছানোর চেষ্টা করুন।
- অনলাইনে টিকিট কাটলে যাত্রার তারিখ ও ট্রেন নম্বর আবার মিলিয়ে নিন।
- যাত্রাপথে কোথায় ট্রেন কতক্ষণ দাঁড়ায় সেটিও আগে থেকে জেনে রাখুন।
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকলে শেষ মুহূর্তের ঝামেলা টিকিট সংকট ও ভুল দিনে ভ্রমণের মতো সমস্যাগুলো সহজেই এড়ানো যায়।
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী। রাজশাহী থেকে ঢাকা রুট (৭৫৬)
২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুসারে মধুমতি এক্সপ্রেস (৭৫৬) রাজশাহী থেকে সকাল ০৬:৪০ সকাল-এ যাত্রা শুরু করে এবং দুপুর ০২:০০ এ ঢাকায় পৌঁছায়। মোট যাত্রাসময় ০৭:২০ ঘণ্টা।
| স্টেশন | আগমনের সময় | ছাড়ার সময় |
| রাজশাহী | – | ০৬:৪০ সকাল |
| ঈশ্বরদী | ০৭:৪০ সকাল | ০৮:০০ সকাল |
| পাকশী | ০৮:১০ সকাল | ০৮:১২ সকাল |
| ভেড়ামারা | ০৮:২৪ সকাল | ০৮:২৭ সকাল |
| মিরপুর | ০৮:৩৭ সকাল | ০৮:৩৯ সকাল |
| পোড়াদহ | ০৮:৫০ সকাল | ০৯:১০ সকাল |
| কুষ্টিয়া কোর্ট | ০৯:২২ সকাল | ০৯:২৫ সকাল |
| কুমারখালী | ০৯:৪২ সকাল | ০৯:৪৪ সকাল |
| খোকসা | ১০:০১ সকাল | ১০:০৩ সকাল |
| পাংশা | ১০:১৮ সকাল | ১০:২০ সকাল |
| কালুখালী | ১০:২৯ সকাল | ১০:৩১ সকাল |
| রাজবাড়ী | ১০:৫০ সকাল | ১১:০৫ সকাল |
| পাচুরিয়া | ১১:১৪ সকাল | |
| আমিরাবাদ | ১১:৩২ সকাল | |
| ফরিদপুর | ১১:৪৭ সকাল | ১১:৪৯ সকাল |
| তালমা | ১২:০৫ দুপুর | |
| পুকুরিয়া | ১২:১০ দুপুর | |
| ভাঙ্গা | ১২:২৪ দুপুর | ১২:২৬ দুপুর |
| শিবচর | ১২:৪৭ দুপুর | ১২:৪৯ দুপুর |
| পদ্মা | ১২:৫৯ দুপুর | ০১:০১ দুপুর |
| মাওয়া | ০১:১৪ দুপুর | ০১:১৬ দুপুর |
| শ্রীনগর | ০১:১৮ দুপুর | |
| ঢাকা | ০২:০০ দুপুর |
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী চলাচলের দিন
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি ভুল হয় সাপ্তাহিক বন্ধের দিন নিয়ে। অনেক যাত্রী মনে করেন আন্তঃনগর ট্রেন হওয়ায় এটি সপ্তাহের সাত দিনই চলাচল করে। বাস্তবে সেটি সঠিক নয়। বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী মধুমতি এক্সপ্রেস (৭৫৬) প্রতি শনিবার (Sat – Off Day) বন্ধ থাকে। শুক্রবার রাত বা শনিবার সকালে অনেক যাত্রী টিকিট খুঁজতে গিয়ে বুঝতে পারেন যে ওই দিনে ট্রেনটি পরিচালিত হয় না।
বিশেষ করে ঈদের ছুটি, আমের মৌসুম অথবা দীর্ঘ সরকারি ছুটির সময় এই ভুলের কারণে অনেক যাত্রীকে শেষ মুহূর্তে বিকল্প ট্রেন খুঁজতে হয়। তাই মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী দেখার পাশাপাশি সাপ্তাহিক বন্ধের দিনও নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
| দিন | চলাচলের অবস্থা |
| শুক্রবার | চলাচল করে |
| শনিবার | বন্ধ (সাপ্তাহিক ছুটি) |
| রবিবার | চলাচল করে |
| সোমবার | চলাচল করে |
| মঙ্গলবার | চলাচল করে |
| বুধবার | চলাচল করে |
| বৃহস্পতিবার | চলাচল করে |
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী শনিবার ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে আগে থেকেই অন্য আন্তঃনগর ট্রেনের সময়সূচী দেখে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা উচিত। এতে শেষ মুহূর্তের ঝামেলা এড়ানো সম্ভব হবে।
সময়সূচী অনুযায়ী স্টেশনগুলোতে কতক্ষণ দাঁড়ায়?
অনেক যাত্রী মনে করেন প্রতিটি স্টেশনে ট্রেন মাত্র এক বা দুই মিনিটের জন্য থামে। বাস্তবে মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে তুলনামূলক বেশি সময় যাত্রাবিরতি রয়েছে। যারা মাঝপথে ট্রেনে ওঠেন বা নামেন তাদের জন্য এই তথ্যগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
| স্টেশন | যাত্রাবিরতি |
| রাজশাহী | ০০ মিনিট |
| ঈশ্বরদী | ২০ মিনিট |
| পাকশী | ০২ মিনিট |
| ভেড়ামারা | ০৩ মিনিট |
| মিরপুর | ০২ মিনিট |
| পোড়াদহ | ২০ মিনিট |
| কুষ্টিয়া কোর্ট | ০৩ মিনিট |
| কুমারখালী | ০২ মিনিট |
| খোকসা | ০২ মিনিট |
| পাংশা | ০২ মিনিট |
| কালুখালী | ০২ মিনিট |
| রাজবাড়ী | ১৫ মিনিট |
| পাচুরিয়া | — মিনিট |
| আমিরাবাদ | — মিনিট |
| ফরিদপুর | ০২ মিনিট |
| তালমা | — মিনিট |
| পুকুরিয়া | — মিনিট |
| ভাঙ্গা | ০২ মিনিট |
| শিবচর | ০২ মিনিট |
| পদ্মা | ০২ মিনিট |
| মাওয়া | ০২ মিনিট |
| শ্রীনগর | — মিনিট |
| ঢাকা | ০০ মিনিট |
আমার নিজের ভ্রমণের অভিজ্ঞতায় লক্ষ্য করেছি, ঈশ্বরদী ও পোড়াদহ স্টেশনে অনেক যাত্রী ওঠানামা করায় ট্রেনে সাময়িকভাবে ভিড় বেড়ে যায়। তাই আপনি যদি এসব স্টেশন থেকে যাত্রা করেন, তাহলে নির্ধারিত সময়ের অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছে যাওয়াই ভালো।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কিছু স্টেশনের ছাড়ার সময় তথ্য অফিসিয়াল সময়সূচীতেই ফাঁকা রয়েছে। যেমন পাচুরিয়া, আমিরাবাদ, তালমা, পুকুরিয়া এবং শ্রীনগর স্টেশনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ছাড়ার সময় প্রকাশ করা হয়নি। তাই মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ব্যবহার করার সময় এসব তথ্য অনুমান না করে অফিসিয়াল সূচি অনুযায়ী ফাঁকা হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত। এতে বিভ্রান্তির সম্ভাবনা কমে যায় ও তথ্যও নির্ভুল থাকে।
সময়সূচী অনুযায়ী টিকিট সংগ্রহের সঠিক পদ্ধতি
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী জানার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সময়মতো টিকিট সংগ্রহ করা। অনেক যাত্রী মনে করেন যাত্রার এক বা দুই দিন আগে টিকিট কাটলেই সহজে আসন পাওয়া যাবে। বাস্তবে শুক্রবার, সরকারি ছুটি, ঈদ, দুর্গাপূজা কিংবা রাজশাহীর আমের মৌসুমে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হয়। এসব সময়ে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই জনপ্রিয় কোচের আসন পূর্ণ হয়ে যায়।
আপনি যদি আগে থেকেই মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী দেখে ভ্রমণের দিন নির্ধারণ করেন তাহলে টিকিট সংগ্রহও অনেক সহজ হবে। বিশেষ করে রাজশাহী থেকে ঢাকা অফিস, চিকিৎসা বা শিক্ষার কাজে নিয়মিত যাতায়াতকারীরা আগেভাগেই বুকিং সম্পন্ন করেন।
অনলাইনে টিকিট কাটার ধাপ
- বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ই-টিকেটিং সাইটে প্রবেশ করুন।
- From অপশনে Rajshahi এবং To অপশনে Dhaka নির্বাচন করুন।
- ভ্রমণের তারিখ নির্বাচন করুন।
- যাত্রী সংখ্যা নির্বাচন করে ট্রেন সার্চ করুন।
- MADHUMATI EXPRESS (756) নির্বাচন করুন।
- পছন্দের আসন নির্বাচন করে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
- ই-টিকিট ডাউনলোড অথবা মোবাইলে সংরক্ষণ করুন।
বাস্তবে অনেক যাত্রী ট্রেন নির্বাচন করার আগে শুধুমাত্র ভাড়া দেখেন। কিন্তু মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী মিলিয়ে না দেখার কারণে ভুল তারিখ বা ভুল ট্রেনে টিকিট কেটে ফেলেন। তাই পেমেন্ট করার আগে ট্রেন নম্বর 756, যাত্রার তারিখ এবং সময় অবশ্যই আরেকবার যাচাই করুন।
সময়সূচী অনুযায়ী যাত্রার আগে করণীয়
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী জানা থাকলেও কিছু প্রস্তুতির অভাবে অনেক যাত্রীর ভ্রমণ অস্বস্তিকর হয়ে যায়। নিচের বিষয়গুলো অনুসরণ করলে ভ্রমণ আরও সহজ হবে।
- যাত্রার অন্তত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছান।
- ই-টিকিট এবং পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন।
- রাজশাহী স্টেশন থেকে সকাল ৬ঃ৪০-এর আগেই প্ল্যাটফর্মে অবস্থান করুন।
- ভারী লাগেজ থাকলে আগে থেকেই কোচ নম্বর জেনে নিন।
- ঈশ্বরদী, পোড়াদহ ও রাজবাড়ীর মতো ব্যস্ত স্টেশনে অতিরিক্ত যাত্রী ওঠানামা হতে পারে তাই নিজের মালামালের দিকে খেয়াল রাখুন।
- শনিবার ভ্রমণের পরিকল্পনা করার আগে মনে রাখুন।কারন এই ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধের দিন শনিবার।
গত কয়েক বছরে পদ্মা সেতু চালুর পর রাজশাহী থেকে ঢাকার ট্রেন ভ্রমণ আরও জনপ্রিয় হয়েছে। ফলে ছুটির সময় টিকিটের চাহিদাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী দেখে আগেভাগে পরিকল্পনা করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী ভ্রমণের গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা
- রাজশাহী থেকে সকালেই যাত্রা শুরু করে একই দিনে দুপুরে ঢাকা পৌঁছানো যায়।
- পদ্মা সেতু করিডোর ব্যবহার করায় যাত্রা দ্রুত ও আরামদায়ক।
- রাজশাহী, ঈশ্বরদী, কুষ্টিয়া কোর্ট, ফরিদপুর, ভাঙ্গা, মাওয়াসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে যাত্রাবিরতি রয়েছে।
- দীর্ঘ দূরত্বের যাত্রীদের জন্য পরিকল্পিত আন্তঃনগর সেবা।
- নিয়মিত সময়সূচী অনুসরণ করায় অফিস, ব্যবসা ও চিকিৎসার কাজে যাতায়াতকারীদের কাছে এটি জনপ্রিয়।
সঠিক পরিকল্পনার জন্য মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী আগে থেকেই দেখে নেওয়া, সাপ্তাহিক বন্ধের দিন মনে রাখা এবং সময়মতো টিকিট সংগ্রহ করাই নিরাপদ ও ঝামেলামুক্ত ভ্রমণের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী ট্রেনটি কত সময়ে রাজশাহী থেকে ছাড়ে?
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী MADHUMATI EXPRESS (756) রাজশাহী স্টেশন থেকে সকাল ৬ঃ৪০-এ যাত্রা শুরু করে এবং দুপুর ২ঃ০০-এ ঢাকায় পৌঁছায়। মোট যাত্রাসময় ০৭:২০ ঘণ্টা । অনেক যাত্রী ভুলবশত ৭টার পরে স্টেশনে পৌঁছে ট্রেন মিস করেন।
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী মোট কতটি স্টেশনে থামে?
মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী ট্রেনটি রাজশাহী থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে ঈশ্বরদী, পাকশী, ভেড়ামারা, মিরপুর, পোড়াদহ, কুষ্টিয়া কোর্ট, কুমারখালী, খোকসা, পাংশা, কালুখালী, রাজবাড়ী, পাচুরিয়া, আমিরাবাদ, ফরিদপুর, তালমা, পুকুরিয়া, ভাঙ্গা, শিবচর, পদ্মা, মাওয়া এবং শ্রীনগরসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে যাত্রাবিরতি করে।
শনিবার কি মধুমতি এক্সপ্রেস চলে?
না। মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী শনিবার এই ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন। অনেক যাত্রী এই তথ্য না জেনে শনিবার টিকিট খুঁজতে গিয়ে বিভ্রান্ত হন। তাই ভ্রমণের আগে তারিখ এবং চলাচলের দিন মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।
ঈশ্বরদী ও পোড়াদহ স্টেশনে বেশি সময় কেন দাঁড়ায়?
ঈশ্বরদী এবং পোড়াদহ এই রুটের গুরুত্বপূর্ণ রেল জংশন। মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী ঈশ্বরদীতে ২০ মিনিট এবং পোড়াদহে ২০ মিনিট যাত্রাবিরতি রয়েছে। যাত্রী ওঠানামা এবং রেল পরিচালনার প্রয়োজনীয়তার কারণে এই বিরতি তুলনামূলক দীর্ঘ হয়।
কিছু স্টেশনের Departure সময় ফাঁকা কেন?
আপনি যদি প্রথমবার এই রুটে ভ্রমণ করেন অথবা নিয়মিত যাত্রী হন, তাহলে সর্বশেষ মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী অনুসরণ করুন। বিশেষ করে শুক্রবার, ঈদের ছুটি এবং আমের মৌসুমে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ থাকে। তাই আগে থেকেই পরিকল্পনা করলে অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা এড়ানো সম্ভব হবে। নির্ভুল তথ্যের ভিত্তিতে ভ্রমণ পরিকল্পনা করলে পুরো যাত্রাই হবে আরও আরামদায়ক, নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
